কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় গেটম্যান গ্রেপ্তার
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৫-০৩-২০২৬ ১২:১২:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৫-০৩-২০২৬ ১২:১২:৩১ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
কুমিল্লায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গেটম্যান মো. হেলালকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন শঙ্খচাইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৫ মার্চ) এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানান র্যাব-১১ এর উপ-অধিনায়ক লে. কমান্ডার মো. নাঈম উল হক।
গ্রেপ্তার মো. হেলাল কুমিল্লার বুড়িচং থানার কালকাপুর ডাকঘরের কোদালিয়া গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ওই রেলক্রসিংয়ে গেটম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং দুর্ঘটনার পর দায়ের করা মামলার এক নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনার সময় অর্থাৎ রাত ৩টা ১০ মিনিটে হেলালের ডিউটি ছিল। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। কাউকে কিছু না জানিয়ে এবং বিকল্প কাউকে দায়িত্ব না দিয়েই তিনি কর্মস্থল থেকে চলে যান। তার এই চরম অবহেলার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। গ্রেপ্তারের পর হেলাল নিজেই তার অনুপস্থিতির কথা অকপটে স্বীকার করেছেন।
এই ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে র্যাব।
রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এছাড়া গ্রেপ্তার আসামিকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
উল্লেখ্য, শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড লেভেল ক্রসিংয়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির একটি মেইল ট্রেন রেলক্রসিংয়ে উঠে পড়া ‘মামুন স্পেশাল’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত ঠেলে নিয়ে যায়। এতে বাসটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই ১২ জন নিহত ও অন্তত ২৫ জন গুরুতর আহত হন। ব্যারিকেড খোলা থাকায় ট্রেন আসার বিষয়টি বুঝতে না পেরে লাইন পার হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বাসচালক।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স